রাজশাহীর পবা উপজেলায় চরমাঝারদিয়াড় থেকে চরনবীনগর পর্যন্ত সড়ক আরসিসি পাকাকরণের কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।
রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে হরিপুর ইউনিয়নের পদ্মা নদীর পাড় প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত এই উন্নয়নকাজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা এলজিইডি’র কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. মোকবুল হোসেন, সহকারী প্রকৌশলী আয়তুল্লাহ বেহেস্তি, প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম এবং উপসহকারী প্রকৌশলী ফিরোজ মাহমুদ।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক হাজার একশো মিটার দৈর্ঘ্যের এই সড়ক নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল দুই কোটি ৬২ লাখ টাকা। তবে কুষ্টিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘সৈকত এন্টারপ্রাইজ’ চুক্তিমূল্যে দুই কোটি ৩৬ লাখ টাকায় কাজটি সম্পন্ন করবে। আগামী ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে এ কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে।
সড়কটি পাকাকরণ হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ বিরাজ করছে। চরবাসী শামিম বলেন, বর্ষায় কাদা আর পানিতে, আর খরার সময় ধুলাবালিতে চলাচল করা যেত না। বিশেষ করে রোগী বা প্রসূতি মাতাকে মেডিকেলে নিতে অনেক কষ্ট হতো। এখন পাকা রাস্তায় গাড়ি চলাচল শুরু হলে আমাদের ভোগান্তি কমবে।
রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে হরিপুর ইউনিয়নের পদ্মা নদীর পাড় প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত এই উন্নয়নকাজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা এলজিইডি’র কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. মোকবুল হোসেন, সহকারী প্রকৌশলী আয়তুল্লাহ বেহেস্তি, প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম এবং উপসহকারী প্রকৌশলী ফিরোজ মাহমুদ।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক হাজার একশো মিটার দৈর্ঘ্যের এই সড়ক নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল দুই কোটি ৬২ লাখ টাকা। তবে কুষ্টিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘সৈকত এন্টারপ্রাইজ’ চুক্তিমূল্যে দুই কোটি ৩৬ লাখ টাকায় কাজটি সম্পন্ন করবে। আগামী ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে এ কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে।
সড়কটি পাকাকরণ হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ বিরাজ করছে। চরবাসী শামিম বলেন, বর্ষায় কাদা আর পানিতে, আর খরার সময় ধুলাবালিতে চলাচল করা যেত না। বিশেষ করে রোগী বা প্রসূতি মাতাকে মেডিকেলে নিতে অনেক কষ্ট হতো। এখন পাকা রাস্তায় গাড়ি চলাচল শুরু হলে আমাদের ভোগান্তি কমবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক